সরকার ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) ধ্বংস করে সীমান্ত নিরাপত্তা দুর্বল করে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার জাপান সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে বিএনপিকে জড়িয়ে বক্তব্যের প্রতিবাদে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, অতীতে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে কিন্তু তা সফল হয়নি। সরকার র্যা বকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে বলেই এর বিলুপ্তির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
বিএনপি কারো দয়ার পাত্র নয় বরং আওয়ামী লীগই অস্ত্রের জোরে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে বলে জানান বিএনপির এ নেতা।
তিনি বলেন, ‘বহুবার চেষ্টা করা হয়েছে বিএনপিকে ধ্বংস করার। ফরমালিন তারা প্রয়োগ করেছেন সমগ্র সমাজে, প্রয়োগ করেছে অর্থনীতিতে, ব্যাংকগুলো লুট করে শেষ করে দিয়েছে। এখন যেহেতু র্যা বকে আপনারা ক্ষমতায় থাকার জন্য ব্যবহার করছেন তাই বলছেন, এ মুহূর্তে র্যা বকে বিলুপ্ত করা সম্ভব নয়।’
সরকার সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে— উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ‘বিডিআরকে ধ্বংস করেই বাংলাদেশে যে সীমান্ত রক্ষা যে নিরাপত্তা সেটাকে দূর্বল করে ফেলা হয়েছে এবং আমাদের সেনাবাহিনীর যে মনোবল সেটাকেও দূর্বল করে ফেলে হয়েছে।’
তিনি বলেন, জামাত ইস্যুতে আওয়ামী লীগ আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তাই শিগগিরই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন।
ফখরুল আরো বলেন, ‘জামাতে ইসলাম সম্পর্কে তারা যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে সেটা আমাদের কে আরো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তবে একটি জিনিস বোঝা যায় যে জামাত সম্পর্কে তাদের আগের যে বক্তব্য তা আছে কি-না? এটা নিয়ে ইতিমধ্যেই তাদের লোকজনদের মধ্যেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ অহংকার, আত্মম্বহিতা পরিত্যাগ করে দেশের জনগণের কল্যানের জন্য, রাষ্ট্রের কল্যানের জন্য আপনারা অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ, নির্দলীয় সরকারের কাছে পদত্যাগ করে, একটি সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।’