মানুষ খুন করে আর অন্যের কাছে গিয়ে নিন্দা করা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ৬৫ বছর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায় বাংলাদেশের স্বাধীনাতা ও তার পরবর্তীতে দেশের যে উন্নয়ন হয়েছে তা এ দলই করেছে।
বাঙালির যতো প্রাপ্তি তার সবই দিয়েছে আওয়ামী লীগ এ কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৪৯ সালের ২৩ জুন বাঙালির জন্য একটি স্মরণীয় দিন। এ দিন দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছিল স্বাধীনতার জন্য। এ দেশে যা কিছু অর্জন সবই এনেছে আওয়ামী লীগ।'
এ সময় তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠা জিয়াউর রহমানের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।
জিয়া সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, জিয়া ছিলেন ঘোষিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত নয়।
শেখ হাসিনা বলেন, 'খালেদা জিয়ার স্বামী জিয়াউর রহমান ক্যু করে ক্ষমতায় এসেছিলেন। ক্যু কারা করেন, যারা খুনি তারাই ক্যু করেন। আওয়ামী লীগের রক্ত তাদের হাতে লেগে আছে।'
জিয়া গত ৫ জানুয়ারি নির্বাচন ঠেকাতে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে বিএনপি নেতা। রাজনীতির ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনে আসেননি বলে জানান শেখ হাসিনা। বিএনপি বরাবরই বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করতে চেয়েছে কারণ তারা এদেশের স্বাধীনতা চায় নাই এবং বিশ্বাসও করে না।
তিনি বলেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপি নেত্রী গাড়িতে পেট্রোল বোমা মেরে, আগুন দিয়ে নির্মমভাবে মানুষ হত্যা করেছে। তার নিমর্মমতা থেকে শিশু পর্যন্ত রেহাই পায়নি। এটা শুধুমাত্র দলটির নেতা খালেদা জিয়ার নির্দেশেই হয়েছে।
এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, দেশের গণতন্ত্রের যাত্রা অব্যাহত রাখতে ও সুরক্ষা করার জন্য এ নির্বাচন ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আওয়ামী লীগ সরকার করবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুরো পরিবারকে 'খুনি' অ্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'তার (খালেদা) স্বামী খুনি, তিনি নিজে খুনি, তার ছেলে খুনি, গোটা পরিবারই খুনি। তাদের হাতে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের রক্ত, সাধারণ জনগণের রক্ত।'