আন্দোলন বন্ধ করতে চাইলে অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এসময় বিএনপির নেতা বলেন, সরকার যদি আন্দোলন না চায় তাহলে তাদের নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবিলম্বে নির্বাচন দিতে হবে। তা না হলে রাজপথের আন্দোলন তারা ঠেকাতে পারবে না। জনগণ রাজপথে নামবে তাদের হঠানোর জন্য।
আন্দোলনের ঘোষণায় ভয় পেয়ে সরকার বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে এবং তাদের গ্রেপ্তার হয়রানি শুরু করে— এ অভিযোগ করে তিনি বলেন, খন্দকার মোশাররফকে আদালত জামিন দিলেও সরকার তার বিরুদ্ধে আপিল করে জামিন আটকে দিয়েছে। নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে আন্দোলন দমন করা যাবে না।
জনগণকে ধোঁকা' দিয়ে নির্বাচনের নামে 'তামাশা' করে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে— এ মন্তব্য করে রিজভী বলেন, তারা জনগণের সরকার নয়। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্যই আমাদের আন্দোলন। এ আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে।
দ্বিতীয় বারের মতো বাকশাল কায়েম এবং দেশে এক ব্যক্তির শাসন কায়েম করতে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি এ নেতারা। গুম-খুনের মাধ্যমে সারাদেশকে সন্ত্রাস ও অরাজকতার রাজত্বে পরিণত করা হয়েছে দাবি করে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দুর্বার আন্দোলনে সরকারের পতন ঘটানো হবে।
রুহুল রিজভী অভিযোগ করেন, সরকার নিজেদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সংবিধান পরিবর্তন করেছে আর এখন বিচারবিভাগ ও গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে।
এছাড়া শিগগিরই আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হবে বলেও এসময় জানান রুহুল কবির রিজভী।
অন্যদিকে, জাতীয় প্রেসক্লাবে এক মানববন্ধনে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে লঙ্ঘন করে অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় গিয়ে জোর-জবরদস্তিমূলকভাবে দেশ পরিচালনা করছে।