আগামী ২০১৯ সালের আগে কোনো নির্বাচন নয়— তাই এ নিয়ে কোনো আলোচনার সম্ভাবনাও নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনার গ্রেগরি উইলকক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্দোলন করার সুযোগ বিএনপির নেই – এ কথা উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, এ আন্দোলনে সরকারের চেয়ে বিএনপিরই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এদিকে, আগামী ২০১৯ সালের আগেই নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্যা রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তার কথার পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে অংশ না নিয়ে অর্ন্তদন্দ্বে বিএনপি এখন মুশকিলে পড়েছে তাই এ পরিস্থিতিতে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে কোনো লাভ নেই।
এ সময় তোবা গার্মেন্টস বন্ধ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, একটি চক্র তৈরি পোশাক শিল্পে বিশৃংখলা ছড়াতে বিদেশি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।
পরে ব্রিফিংয়ের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুর্নগঠন থেকে এ পর্যন্ত পণ্য রপ্তানি-আমদানিতে অস্ট্রেলিয়া ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। দেশটি এ সম্পর্ক আরো জোরদার করতে চায়।
এছাড়া, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার আগ্রহ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, সচিবালয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট বিন্দু লোহানীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়লেও দেশের অর্থনীতি ধীর গতিতে চলছে।
এ সময় বিএনপির আন্দোলন ও বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি এখন পরনির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। আলোচনায় থাকতেই বিএনপি আন্দোলন জিইয়ে রাখছে।