জামালপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে স্থানীয় ২০ দলীয় জোটের জনসভায় যোগ দিতে রওনা দেন তিনি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার গাড়িবহর টঙ্গী, গাজীপুর চৌরাস্তা মোড়, কালিয়াকৈর, মির্জাপুর হয়ে রাত ৮টা নাগাদ টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু সংলগ্ন যমুনা রিসোর্টে পৌঁছাবে। সেখানেই শুক্রবার রাতে অবস্থান করবেন তিনি।
শনিবার সকাল ১১টায় যমুনা রিসোর্ট থেকে জামালপুরের উদ্দেশে ফের রওনা দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
এদিন তিনি টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা, কালিহাতী, ঘাটাইল, মধুপুর ও ধনবাড়ী হয়ে জামালপুর সার্কিট হাউজে পৌঁছাবেন।
পরে বিকেল ৩টায় জামালপুর জেলা স্কুল মাঠে স্থানীয় ২০ দলীয় জোটি আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন খালেদা জিয়া।
এ জনসভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতারা যোগ দেবেন বলে দলীয় সূত্র জানা গেছে।
এছাড়া ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামাতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণিসহ শীর্ষ নেতারা যোগ দেবেন।
বিএনপির প্রেস উইং সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে রয়েছেন ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস, সদস্য সচিব হাবীব উন নবী খান সোহেল, খালেদা জিয়ার প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খান সোহেল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক হাবীবুর রশিদ হাবিব প্রমুখ।
খালেদা জিয়ার গাড়িতে আছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান।
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে মধ্যবর্তী নির্বাচন, খুন-গুম-নির্যাতন বন্ধ, জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা ও সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের দাবিতে স্থানীয় ২০ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দিতে খালেদা জিয়ার এ জামালপুর সফর।