জামাত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসি সম্পর্কে আদালতের রায় নিয়ে কোনো মন্তব্য না করার পরামর্শ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
আদালতের রায় নিয়ে কারো বাগাড়ম্ভর করা উচিত নয়—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন আদালতের কাজ আদালতকে করতে দেয়া উচিত।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
যুদ্ধাপরাধীদের ব্যাপারে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের উপর রিভিউ করার কোনো বিধান নেই, যারা এ রায় নিয়ে কথা বলছেন তা মোটেও উচিত নয়। আদালতের রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করার জন্য পরামর্শ দেন তিনি।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে একজন আইনজীবীর রিট আবেদন সম্পর্কে বলেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বাহাত্তরের সংবিধান হুবহু পুনর্বহাল করা হয়েছে।
সুরঞ্জিত বলেন, রায়ের কপি পাওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল মৃত্যু পরোয়ানা পাঠালে তা কার্যকরের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিবে।
এ সময় তিনি বলেন, ’৭২ সংবিধান কার্যকর হলে আদলতের বিচারকদের মর্যাদা অনেকগুণ বেশি বৃদ্ধি পাবে। তিনি নূর হোসেন দিবসের স্মৃতিচারণ করে বলেন, এই দিন আমি প্রত্যক্ষ করেছিলাম নূর হোসেন নিজেকে উৎস্বর্গ করে কিভাবে স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রকে মুক্ত করে দিয়ে গেছেন। যার সুফল আজ দেশের জনগণ ভোগ করছে।
বঙ্গবন্ধু একাডেমি আয়োজিত শহীদ নূর হোসেন দিবস ও চলমান রাজনীতি বিষয়ে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নেতা হুমায়ুন কবীর মিজি, হারুন-উর-রশীদ চৌধুরী, মিনহাজ উদ্দিন ও আবদুল হাই কানু প্রমুখ। সূত্র বাসস।
এদিকে, অপর এক অনুষ্ঠানে ২০১৯ সালের জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি না নিলে খালেদা জিয়াকে নেতাকর্মীরাই বিএনপির চেয়াপারসনের পদে রাখবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।