বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শেষ হয়েছে।
সোমবার ভোর থেকেই হরতালের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলেছে তবে তা স্বাভাবিকের তুলনায় কম।
রাজধানীর মালিবাগ, মৌচাক, রামপুরা যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, মতিঝিল, গুলিস্তান, পল্টন, শাহবাগ, কারওয়ান বাজার এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে বাস- মিনিবাস চলাচল করেছে।এছাড়া দুই একটা প্রাইভেট কার সিএনজি চালিত অটো রিকসা চলাচল করেছে। তবে তুলনায় স্বাভাবিক আছে হিউম্যান হলারসহ অন্যান্য অন্যান্য ছোটখাটো যান চলাচল করে। রাজধানীর বাইরে থেকে ছেড়ে আসা দূরপাল্লার বাসগুলোকে রাজধানীতে ঢুকতে দেখা যায়। এ ছাড়া দিনের বেলাও কিছু সড়কে ট্রাক চলাচল করেছে।
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মোতায়েন ছিল। পুলিশ, আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ান সদস্যদের পাশাপাশি র্যা ব সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে টহল দিয়েছে।
হরতালের মধ্যেই কর্মজীবী মানুষেরা কাজে বের হন।
ঢাকার বাইরে নারায়ণগঞ্জে ঢিলেঢালাভাবে হরতাল পালিত হয়। চাষাড়া, শিবু মার্কেট, জালকুড়ি, সাইনবোর্ড এলাকায় দেখা যায়, সড়কে মিনিবাস, সিএনজি অটোরিকশা, অটোরিকশা, ট্রাক চলাচল করেছে। তবে ঢাকা -নারায়ণগঞ্জ সড়কপথে কাউন্টার সার্ভিস বাসের কাউন্টার সকাল সাতটা পর্যন্ত বন্ধ ছিল।
নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া শহীদ মিনার এলাকায় দায়িত্বরত কর্মকর্তা সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) রাজুর বলেন, নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি গুরত্বপূর্ণ মোড়ে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
১৪৪ ধারা জারি করে ২৭ ডিসেম্বর গাজীপুরে বিএনপির চেয়ারপারসনের জনসভা ‘বানচাল’, দেশের বিভিন্ন স্থানে ওই দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের হয়রানি ও গ্রেপ্তার এবং বিএনপির নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু, নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ পিন্টুসহ ২০-দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে এ হরতাল পালন করে তারা।