আগামী ৫ জানুয়ারি রাজধানীতে ১৬টি স্থানে এবং বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশসহ সারাদেশে বিজয় র্যা লী করবে আওয়ামী লীগ বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। শুক্রবার ধানমন্ডিতে সভানেত্রীর দলীয় কার্যালয়ে যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, কাউকে সভা সমাবেশের অনুমতি দেয়া না দেয়া প্রশাসনের বিষয়। এ নিয়ে বারাবারি আইনের শাসনের পরিপন্থি। বিএনপি নেত্রী যে সাত দফা দিয়েছেন, তা বিবেচনার জন্য আরো ৪ বছর অপেক্ষা করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, অনেকই অনেক হুমকি দিলেও সেই কাগুজে বাঘদের সেদিন খুঁজেও পাওয়া যাবে না। ৫ জানুয়ারি ঢাকাসহ সারাদেশে আওয়ামী লীগ বিজয় র্যা লী ও রাজধানীতে সমাবেশ করবে।
এ সময় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারকে রহমানের করা কটুক্তির জন্য খালেদা জিয়া ক্ষমা না চাইলে বিএনপিকে কোথাও সমাবেশ করতে দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন হানিফ।
এদিকে, রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, বিএনপি নেত্রী যে সাত দফা দিয়েছেন তা বিবেচনার জন্য তাকে আরো ৪ বছর অপেক্ষা করতে হবে। তবে সবকিছুর আগে বিএনপি নেত্রীকে জঙ্গিবাদ, উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে।
৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের গণতন্ত্রের বিজয় দিবস যথাস্থানে যথাসময়ে হবে উল্লেখ করে সুরঞ্জিত বলেন, তা কেউ বানচাল করতে পারবে না।
এ সময় বিএনপিকে যুদ্ধাপরাধীর সঙ্গো ত্যাগ করার কথাও বলেন তিনি।
৫ জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগের গণতন্ত্রের বিজয় দিবস যথাস্থানে যথাসময়ে হবে— উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, কারো সাধ্য নেই তা বানচাল করার।
পরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পরিবার দিবস উদযাপনের দিনব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সুরঞ্জিত বলেন, সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য দূর করতে তাদের ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ৪ দশক পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়ার ৭ দফা দাবি রাজনৈতিক কর্মসূচি হলেও তা কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়।