আগামী ৫ জানুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিশ দলের সমাবেশ নিয়ে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকলে অনুমতি দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তোফায়েল আহমেদ।
শনিবার সকালে রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্যা রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, মধ্যবর্তী নির্বাচন ও সংলাপ কোনোটিই এ মুহূর্তে হচ্ছে না বরং এসব নিয়ে আন্দোলনের নামে রাজপথে বিশৃঙ্খলা করে জনজীবন বিপর্যস্ত করলে কঠোরভাবে তা প্রতিহত করা হবে।
তিনি বলেন, ‘এ সরকারের মেয়াদ ৪ বছর রয়েছে এবং খুব শক্ত ও দক্ষ সরকার প্রশাসনিকভাবে – রাজনৈতিকভাবে। গ্রামে গিয়ে দেখতে পাবেন ব্যাপক চ্যাঞ্চল আওয়ামী লীগের আর বিএনপি নিষ্কৃয়। দেশব্যাপী খোঁজ নিয়ে দেখতে পাবেন তারা যে কর্মসূচি দেয় তারা সেখানে নিষ্কৃয়।
এ সময় তার রাজনীতি সময় উল্লেখ করে বলেন, ‘এ সরকার তার মেয়াদ কাল শেষ করবে এবং বিএনপি উচিত হবে এ ৪বছর জনমত সৃষ্টি করা আরেকটি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা। এর বাইরে আইনশৃঙ্খলা হাতে নিলে তাদের লাভ হবে না।’
এ সময় বিএনপিকে ধৈর্য ধরে ২০১৯ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুতি নেয়ার পরমর্শ দেন তোফায়েল আহমেদ।
ঢাকা রির্পোটার্স ইউনিটির নিয়মিত আয়োজন "মিট দ্যা রির্পোটার্সে এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
এ সময় দল, সরকার, রাজনীতি, অর্থ-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
সরকারের নতুন মেয়াদের বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে তিনি বলেন, সাংবিধানিক পন্থায়ই ৫ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সবদলের অংশগ্রহণে নির্বাচন করতে বিএনপিকে একাধিকবার সংলাপের আহ্বান জানালেও তাতে অংশ না নিয়ে বার বার আন্দোলনের পথই বেছে নিয়েছে।
মেয়াদপূরণ না করে সরকার সংলাপ কিংবা নির্বাচন কোনোটিতেই এ মুহূর্তে আগ্রহী নয় উল্লেখ করে –তোফায়েল বলেন আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা করলে আইন শৃংখলা বাহিনী তা প্রতিহত করবে।
সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী দল উল্লেখ করে প্রশ্নবিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডের জবাব দেন তোফায়েল আহমেদ।
তোফায়েল বলেন, ‘যে কোনো লোক খারাপ কাজ করলে ছাত্রলীগের ও দোষ আসে। আমার এখানে এটিই বলা ছাত্রলীগে যারা নেতৃত্ব দেন তাদের এদিকে খেয়াল রাখা উচিৎ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিরা প্রতিনিধিত্ব দিতে পারতো তাহলে ছাত্রদের মধ্যে এ কলঙ্কিত আলোকিত হতো না।’
অর্থ-বাণিজ্যে সরকারের নানা সাফল্যের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ভিশন টোয়েন্টি টোয়েন্টি ওয়ান বাস্তবায়ন এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।