বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আটকে রেখে মিথ্যাচার করছে সরকার—গণতন্ত্রের আড়ালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছে সরকার বলে জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলঅম আলমগীর।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে পেশাজীবী পরিষদের সমাবেশে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তারা।
মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে বাস্তবে রুপ দিতে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।
পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল থেকেই জাতীয় প্রেসক্লাবে সমাবেশ করে বিএনপি সমর্থিত সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ।
সকাল থেকে ২০ দলীয় জোটের কর্মসূচিতে মাঠে কোথাও দেখা যায়নি বিএনপি ও জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের। তবে বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীদের এক সমাবেশে যোগ দেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে জাতীয় প্রেসক্লাবে মারামারির ঘটনা ঘটে সরকার ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে।
বিকেলে যোগ দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের সমালোচনা করে বলেন, অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
সমাবেশ শেষে মির্জা ফখরুল প্রেসক্লাব থেকে বের হতে চাইলে সেখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী সাংবাদিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
দুই পক্ষের বাক বিতন্ডায় আবারও প্রেসক্লাবের ভেতরে অবস্থান নেন মির্জা ফখরুল।
এদিকে, কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষোভ-মিছিল করেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে আহত হন এক পুলিশ সদস্য ও আইনজীবী।
এদিকে, দুপুরে হাই কোর্ট প্রাঙ্গনে মিছিল বের করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। এ সময় এক বিচারপতির গাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় ধস্তাধস্তিতে এক আইনজীবী ও এক পুলিশ সদস্য আহত হন।
বিকেলে হাইকোর্টের বাইরে আবারো বিএনপিপন্থী আইনজীবী ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।