বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাতে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে গুলশান কার্যালয়ে বিশেষ মেডিকেল টিম গিয়ে তার চিকিৎসা সেবা দেন।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তার গুলশান কার্যালয়ের ভেতরে গাড়ি থেকে নেমে সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
ওই সময় তিনি বলেন, আজ আমাদের কালো পতাকা কর্মসূচি ছিল, সমাবেশ করতে দেয়া হয় নাই। এজন্য পরবর্তী কর্মসূচি না দেয়া পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি চলবে।
গত পরশু দিন অফিসে আসার পর জানতে পারি দলের নেতা রিজভী আহমেদ অসুস্থ, তাকে দেখতে যাওয়ার জন্য বের হতেই দেখি পুলিশ অবরুদ্ধ করে রেখেছে –কেন? তা আমি জানি না, আমাদের জানানো হয়নি? বলে অভিযোগ করেন তিনি।’
‘সরকার টেলিভিশনে বলছে, আমাকে বন্দি করে রাখা হয়নি – তাহলে যদি বন্দি না করে কেন এতো পুলিশ, গেটে তালা, এখন আমি বের হতে চাচ্ছি কেন আমাকে বাধা দেয়া হচ্ছে। আমি সরকারের কাছে জানতে চাই কি কারণে আমাকে এখানে বন্দি করে রাখা হয়েছে?
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে একবার কার্যালয় থেকে বাইরে যাওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। কিন্তু পুলিশ বাইরের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
এরপর আবার বিকেল পৌঁনে ৪ টায় কার্যালয়ের বাইরে যেতে নিজের গাড়িতে ওঠেন খালেদা জিয়া।
কিন্তু গেট তালাবদ্ধ থাকায় বাইরে বের হতে না পেরে প্রায় ৪০ মিনিটের মতো গাড়ির ভেতরেই অবস্থান করেন তিনি। তার সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীরা গেট ধাক্কাধাক্কি করে এবং ভেঙে ফেলার চেষ্টা চালায়। সরকারের বিরোধী স্লোগানও দেন তারা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পিপার স্প্রে ছোড়ে পুলিশ। এতে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সহ কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করা সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ৩০ থেকে ৩৫ জন আহত হন। পরে আবারো বিএনপি নেতা-কর্মীরা স্লোগান দেন এবং গেটে ধাক্কাধাক্কি করেন।