বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অবরোধে পেট্রোল বোমার আগুনে যারা দগ্ধ হয়েছেন তাদের অনেকেই পেশায় ট্রাক, সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালক বা বাসের হেল্পার। যাদের অনেকের পরিবারে নেই উপার্জনের বিকল্প মানুষ।
উপার্জনের একমাত্র মানুষটি যখন হাসপাতালের বেডে যন্ত্রণায় কাতর তখন পরিবারের উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দিশেহারা তাদের পরিবার। আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মারার রাজনীতি বন্ধের দাবি এসব পরিবারের।
গত ১০ জানুয়ারিতে কুমিল্লায় অবরোধের আগুনে দগ্ধ হন ট্রাক চালক পিয়ার মিয়া। পাশের বেডেই শুয়ে আছেন আরেক হতভাগা সিএনজি চালক সাইফুল ইসলাম।
১১ জানুয়ারির অবরোধে মুন্সিগঞ্জে পেট্রোলবোমার আগুন শুধু তাকেই থামায়নি। থমকে দাঁড়িয়েছে তার পরিবারের ভবিষ্যতও।
পেট্রোল বোমার আগুনে দগ্ধ রিক্সা চালক অমুল্য চন্দ্র বর্মন জানালেন সেই নির্মমতার কথা।
এদিকে, এ অবরোধে পেট্রলবোমের আগুনে এখন পর্যন্ত দগ্ধ হয়েছে অর্ধশত মানুষ। প্রাণ হারিয়েছেন একজন। আর কতো মানুষের প্রাণ গেলে বন্ধ হবে আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মারার খেলা? এমন প্রশ্ন সবার।