নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের সব দরজা বন্ধ করে, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ব্যবস্থা ‘রুদ্ধ’ করে সরকার উগ্রপন্থাকেই উৎসাহিত করছে। ফলে ‘অবরুদ্ধ গণতন্ত্র’ বিলুপ্তপ্রায়।
গণতন্ত্রের যাত্রা ব্যাহত হলে সরকারকেই তার দায় নিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ।
সোমবার বিকেলে এক বিবৃতিতে সালাহ উদ্দিন এসব কথা বলেন।
সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘পৈশাচিক গণহত্যার দায় নিয়ে শেখ হাসিনাকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে, সেদিন আর বেশি দূরে নয়। নির্বিচারে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের হত্যা করার আদেশ দান করে তিনি সেই দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেওয়ার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন।’
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, যৌথ বাহিনীর অভিযানের নামে সরকার মধ্যরাতের নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ চালাতে ‘দলীয়করণকৃত’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রণসজ্জায় সজ্জিত করে শহর, বন্দর, গ্রামসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলকে ভয়াল জনপদে পরিণত করেছে।
গতকাল রাজধানীর শাহ আলী থানার শিবির নেতা এমদাদ উল্লাহকে ‘বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে ক্রসফায়ারের আষাঢ়ে গল্প সাজানো হয়েছে’। তিনি এই ‘হত্যাকাণ্ডের’ নিন্দা জানান।
সালাহ উদ্দিন হুঁশিয়ারি ঊচ্চারণ করে বলেন, সারাদেশে যেসব বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে সেসব হত্যাকাণ্ডের জন্য ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হুকুমের আসামি করা হবে।
তিনি দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলীকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানান এবং তার মুক্তি দাবি করেন।