জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তিতেই বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন ১৪ দলের নেতারা। রোববার রাজধানীজুড়ে বিশাল মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে তারা বলেন, প্রতি ফোটা রক্ত ঝড়ার জবাব নেয়া হবে খালেদা জিয়ার কাছ থেকে।
নেতাদের বক্তব্য, দেশের বতর্মান পরিস্থিতি কোনো রাজনৈতিক সঙ্কট নয়— এটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।
মানববন্ধনে নেতারা অভিযোগ করেন, পাকিস্তানি হানাদারদের মতো পোড়ামাটি নীতি অনুসরণ করছেন খালেদা জিয়া।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি এখন যা করছে তা রাজনীতি নয়, সন্ত্রাস।
তিনি বলেন, রক্তপিপাসু খালেদা জিয়া এখনো রক্তের পিপাসা মিটে নাই, এখনো তার লাশ চাই এ কারণে তার দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন মানুষ হত্যার।’
শরীক দলের নেতা রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘মানুষ দগ্ধ হচ্ছেন সেই দায়- দায়িত্ব খালেদা জিয়াকে নিতে হবে, বিচারের সম্মুখীন হতেই হবে।’
আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘নাশকতার বিরুদ্ধে নাশকতা না, পেট্রোলবোমার বিরুদ্ধে পেট্রোলবোমা না এর বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গণরাজনীতির মাধ্যমে জনগণের শক্তিকে উজ্জীবিত করে এই অপরাজনীতির বিরুদ্ধে অভ্যত্থান ঘটাতে হবে।’
নেতারা বলেন, ক্ষমতার জন্য খালেদা উন্মাদ হয়ে গেছেন। সাফ জানিয়ে দেন, নির্বাচন ২০১৯ এর আগে নয়।
নাসিম বলেন, ‘প্রতি রক্তের হিসাব নেয়া হবে। অবশ্যই নির্বাচন হবে ১৯ সালের একদিন আগেও হবে না। সংলাপ হবে, অবশ্যই সংলাপ হবে, সংলাপ হবে ২০১৯ সালে সংলাপ হবে, তবে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে অন্য কারও সঙ্গে না।’
মানববন্ধন থেকে বিএনপি-জামাত জোটের নাশকতার বিরুদ্ধে আরো ঐক্যবদ্ধ ও সোচ্চার হতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান ১৪ দলের নেতারা।
অবরোধ-হরতালের নামে বিএনপি-জামাত ২০ দলীয় জোটের অব্যাহত সন্ত্রাস-নাশকতার প্রতিবাদে রাজধানীর গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ি জুড়ে বিশাল মানববন্ধন করেছে কেন্দ্রীয় ১৪ দল।
রোববার বিকেল ৩টা থেকে ৪টা, রাজপথে এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে বিএনপি-জামাত জোটের সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছে এই জোটের পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধ, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবি সংগঠন ও সাধারণ মানুষ। মানববন্ধনের ১৩টি স্পটে অবস্থান নেন ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। বিএনপির সহিংসতার চিত্র বিভিন্ন ব্যানার-ফেষ্টুনে তুলে ধরে মানুষ পুড়িয়ে মারার প্রতিবাদ জানান নেতাকর্মীরা।