দীর্ঘ এক যুগ পর ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। এ সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
সম্মেলন সফল করতে এরই মধ্যে ব্যানার ফেস্টুন আর তোরণে সাজানো হয়েছে গোটা শহরকে। গুরুত্বপুর্ণ পদ পেতে নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন নেতারা।
২০০৪ সালের ২৮ জানুয়ারি সর্বশেষ অনুষ্ঠিত হয় যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। সর্ব সম্মতিক্রমে ওই সম্মেলনে সাবেক সংসদ সদস্য আলী রেজা রাজু সভাপতি ও তরুন নেতা শাহীন চাকলাদার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৭ সালে সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও নানা কারণে তা হয়নি।
অবশেষে সাধারণ নেতাকর্মীদের দাবির প্রেক্ষিতে ১২ ফেব্রুয়ারি সম্মেলনের দিন ধার্য করা হয়েছে। এইদিন শহরের ঈদগাহ ময়দানে সম্মেলনের প্রথম পর্ব ও শিল্পকলা একাডেমীতে দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও উৎসবমুখর পরিবেশে এ সম্মেলন সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
এদিকে, সম্মেলনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে দলের পদ প্রত্যাশীরা নিজেদের ও কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড আর তোরণ দিয়ে সাজিয়েছেন গোটা শহরকে। নেতাকর্মীদের মাঝেও বিরাজ করছে উৎসাহ আর উদ্দীপনা।
তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন নেতা নির্বাচনের দাবি সাধারণ নেতাকর্মীদের। বিগত দিনে রাজপথে থেকে যারা আন্দোলন-সংগ্রাম করে দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে এসেছেন এমন নেতাদেরও পদে দেখতে চান সাধারণ নেতাকর্মীরা।
অনেকের অভিমত, বর্তমান বিএনপি-জামাতের জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনের বিরুদ্ধে যারা ভুমিকা রাখতে পারবেন তাদেরকেই নতুন কমিটিতে আসা উচিৎ।