বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে বেসরকারি মোবাইল কোম্পানি গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক মঙ্গলবার সচল হয়েছে। দুপুর থেকে কার্যালয়ের ভেতর থেকে গ্রামীণফোনে কথা বলা যাচ্ছে আর অন্যান্য বেসরকারি মোবাইল ফোন কোম্পানির নেটওয়ার্কও সচল করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বিএনপির চেয়ারপারসন কার্যালয় সূত্র জানা গেছে, দুপুর থেকে গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে। তবে মুঠোফোন ছাড়া অন্য সংযোগগুলো এখনো বন্ধ আছে।
গত ৩০ জানুয়ারি দিবাগত রাত পৌনে ৩টায় খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেয়া হয়। এর পরদিন দুপুরের দিকে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির সংযোগ, ইন্টারনেট, কেবল টিভি, টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। প্রায় ১৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ৩১ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়। তবে অন্য সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন ছিল। টেলিটক ছাড়া অন্য ফোন নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছিল না।
দুপুরে দূতাবাসগুলোর মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করে দিতে বিটিআরসি থেকে মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গুলশান এলাকায় মোবাইল কোম্পানিগুলোর নেটওয়ার্ক সচল করা হয়।
নাম না প্রকাশ করা শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, সুনির্দিষ্ট কোনো বাড়িতে নেটওয়ার্ক চালু বা বন্ধ করা সম্ভব নয়, ভিটিএসের ট্রান্সিভার (ট্রান্সমিটার ও রিসিভার) চালু করে দেয়ার কারণে খালেদা জিয়ার কার্যালয়েও নেটওয়ার্ক পাওয়া যেতে পারে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ের আশপাশে মোবাইল নেটওয়ার্কের জটিলতার কারণে টেলিফোন যোগাযোগ ও ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সমস্যায় ছিল কয়েকটি দূতাবাস।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের আশপাশে জাপান, নেদারল্যান্ডস ও স্পেন দূতাবাস মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে টেলিফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে অসুবিধার বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানায়। তিন দূতাবাসের অনুরোধের বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) জানিয়েছিল।