বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে তৃতীয় দিনের মতো শুক্রবারও খাবার প্রবেশে বাধা দিয়েছে পুলিশ। কার্যালয়ের ভেতরে থাকা স্টাফরা জানিয়েছেন, চেয়ারপারসনসহ সবাই শুকনো খাবার খেয়ে দিনযাপন করছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তারা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছেন।
এদিকে, গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, আন্দোলনকারীদের এনকাউন্টারে হত্যা করার ঘোষণাকে ভবিষ্যতে মানবাধিকারের লঙ্ঘন আখ্যায়িত করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের আওতায় আনা হবে।
বুধবার রাত থেকেই ২০ দলীয় জোট প্রধান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে পুলিশ খাবার প্রবেশ করতে দিচ্ছে না-দলটির পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ আগেই করা হয়েছে। বলা হয়েছিল, সরকারের পায়ের তলায় মাটি না থাকায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে ভাতে আর পানির অভাবে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে।
তবে, শুক্রবার দুপুরের দিকে কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থানরত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের জন্য শুকনো খাবার নিয়ে আসা হলে তা ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয়।
কিন্তু তার ঘণ্টাখানেক পর দুপুর ১ টার দিকে রান্না করা খাবারের একটি ভ্যান কার্যালয়ের সামনে আসলে পুলিশ তা ভেতরে নিয়ে যেতে বাধা দেয়। খাবার ভেতরে নিয়ে যেতে না দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থানরত বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং-এর কর্মকর্তারা।
তারা বলেন, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ভেতরের সবাই ৩ দিন যাবত শুকনো খাবার খেয়েই কাটাচ্ছেন।
এদিকে, বিএনপি এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে, সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে হত্যা, গুম অপহরণ ও গণগ্রেপ্তারের পথ বেছে নিয়েছে। সরকার পদত্যাগ না করলে শিগগিরই আইন অমান্য করা ও অসহযোগ আন্দোলন শুরুর হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়েছে বিবৃতিতে।
অন্যদিকে, বিভিন্ন দাবিতে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করবে ২০ দলীয় জোট।