বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদের দেশে ফেরা কিংবা উন্নত চিকিৎসার জন্য তৃতীয় দেশে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সহসাই কোনো সিদ্ধান্ত আসছে না বলে জানা গেছে।
পুরো বিষয়টিই এখন নির্ভর করছে তার চিকিৎসকের পরামর্শ ও ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাকে আদালতে তোলার ওপর নির্ভর করছে।
এরইমধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য সালাহ উদ্দিনকে অন্য হাসাপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার কিডনিতে পাথর ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অন্যদিকে, চিকিৎসকের ছাড়পত্র পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য আইনজীবীর সঙ্গে প্রাথমিক পরামর্শ সেরে রেখেছেন তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ।
দু'মাস নিখোঁজ থাকার পর ভারতের মেঘালয়ে হদিস মেলা এবং পুলিশের হাতে আটকের পর থেকেই বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদকে মেঘালয়ের শিলং সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল।
বুধবার চিকিৎসকরা জানান সিটি স্ক্যানে সালাহ উদ্দিনের কিডনিতে পাথর ধরা পড়েছে এবং আরও কিছু শারিরীক সমস্যা রয়েছে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য বুধবার বিকেলে তাকে শিলং সিভিল হাসপাতাল থেকে নর্থ-ইস্ট ইন্দিরা গান্ধী রিজিওনাল রিসার্চ অ্যান্ড মেডিসিন সাইন্স হাসপাতাল-নেগ্রিমসে স্থানান্তর করা হয়েছে। শিলং থেকে দেশ টিভিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ জনি।
সালাহ উদ্দিনের চিকিৎসায় বিলম্ব হওয়ায় তাকে আদালতেও তোলা যাচ্ছে না এবং এরই সাথে ঝুলে আছে তাকে বাংলাদেশে ফেরত আনা কিংবা উন্নত চিকিৎসার জন্য তৃতীয় কোনো দেশে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি।
অন্যদিকে, চিকিৎসকের ছাড়পত্র পাওয়ার পর সালাহ উদ্দিনকে দেশে ফেরত আনা কিংবা তৃতীয় কোনো দেশে চিকিৎসা করানোর বিষয়ে আইনগত দিক খতিয়ে দেখতে কার্যক্রমের জন্য মেঘালয় হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এস পি মাহান্তকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ না দেয়া হলেও তার সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা সেরে রেখেছেন তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ। এ বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন বিএনপি নেতা জনি।
গত ১২ মে ভারতের মেঘালয় থেকে উদ্ধার হওয়ার পর সেখানকার একটি হাসপাতাল শিলংয়ে ভর্তি করা হয়।
উল্লেখ, ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে গোয়েন্দা পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করে সালাজউদ্দিনের পরিবার।