ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীর দেয়া বক্তব্যের পেছনে সরকারের ইন্ধন থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন।
রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন রিপন।
এ ঘটনায় সাংসদ লতিফ সিদ্দিকীর মতো আব্দুল গাফফার চৌধুরীকেও বাংলাদেশের আইনে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
বিদেশের মাটিতে বসে তিনি এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন কিনা তা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রিপন।
এছাড়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আব্দুল মোমেনকেও বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান তিনি।
প্রসঙ্গত: গত ৩ জুলাই নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘বাংলাদেশ : অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রাসুল ও রাসুলুল্লাহ’র ব্যাখা দিয়ে তিনি বলেন, ‘রসুল মানে দূত, অ্যাম্বাসেডর। রসুলে সালাম মানে শান্তির দূত। রসুল বললেই আপনারা মনে করেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তা কিন্তু নয়। যখন রাসুলুল্লাহ বলবেন তখন মনে করবেন আল্লাহর প্রতিনিধি।
এখন মোমেন ভাই (জাতিসংঘের বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি) আমেরিকায় থেকে যদি বলেন, কিংবা আমি নিজেকে রাসুল দাবি করলে কল্লা যাবে।’ আল্লাহর ৯৯ নাম কাফেরদের আর দেবতাদের নাম বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার এ বক্তব্য নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।