‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ নামে না হলেও ভিন্ন যে কোনো নামে নিরপেক্ষ সরকার, ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের অধীনেই নির্বাচন চায় বিএনপি— তবে সেই সরকারকে হতে হবে দলীয় প্রভাবমুক্ত। আপাতত একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন ভাবনা নিয়েই সামনে এগুতে চাইছে দলটি।
দাবি আদায়ে গত কয়েক বছরে আন্দোলন, হরতাল-অবরোধ, সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে রাজনীতির মাঠে সোচ্চার ছিলো বিএনপি। অন্যতম প্রধান দাবি দেশের জাতীয় নির্বাচনের জন্য সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল।
এ দাবিকে কেন্দ্র করেই ঘটেছে বিএনপির জাতীয় নির্বাচন বর্জনের ঘটনা, নেতাকর্মীরা অনেকেই রয়েছেন কারাগারে, কেউ কেউ রয়েছেন আত্মগোপনে। সবকিছু মিলিয়ে দলটির অনেক শক্তি ক্ষয় হলেও অর্জনের খাতা রয়ে গেছে শূন্যই।
এমন প্রেক্ষাপটে শনিবার বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তত্ত্বাবধায়কের দাবি থেকে সরে এসে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার কথা বললেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহ বলেন, বিষয়টি দাবি থেকে সরে আসা নয় বরং পরিবর্তিত যে নামেই হোক নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ এবং দলীয় প্রভাবমুক্ত সরকারের অধীনে। এ জন্য সংবিধান পরিবর্তন প্রয়োজন।
আর মধ্যবর্তী একটি নির্বাচনকে রাজনৈতিক সংকট উত্তরনের একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং দলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে দ্রুতই কাউন্সিলের মাধ্যমে দল পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হবে।