বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা নিয়ে সরকারের ঊচ্চপর্যায়ের নেতাদের দায়িত্বহীন উক্তি তদন্তে বাধা সৃষ্টি করবে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল সরকারের বা আওয়ামী লীগের কোনো নেতার নাম উল্লেখ করেননি।
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দুজন বিদেশি নাগরিককে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
এ ধরনের হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে যে বর্তমানে দেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক।
‘সরকারের ঊচ্চপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের দায়িত্বহীন উক্তি কেবলমাত্র তদন্তের ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে না, বরং প্রকৃত আততায়ীকে চিহ্নিত করতেও বাধার সম্মুখীন হতে হবে বলে জানান তিনি।’
সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দু’জন বিদেশি নাগরিককে হত্যাকারী আততায়ীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি দেয়ার দাবি জানান মির্জা ফখরুল।
এর আগে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বেলা এক টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন।
রোববার দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিদেশি হত্যায় আইএস জড়িত কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ হলে এ ঘটনায় কোনো তদন্ত ছাড়াই বিএনপিসহ অন্য বিরোধীদলকে দায়ী করা হল।
রংপুরে র্যা ব সাদা পোশাকে আনিসুল হক লাকু ও রাশেদুল নবী বিপ্লব নামে বিএনপির দুই জনকে আটক করেছে তাদের অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার দাবি জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফর সম্পর্কে জানাতে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে দুই বিদেশি নাগরিক হত্যা সম্পর্কে বলেন, এ হত্যার সঙ্গে বিএনপি-জামাতের হাত থাকতে পারে। এসময় বিএনপি এক নেতার বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
গতকাল রংপুরের মাহিগঞ্জ এলাকায় মুখোশধারী তিন দুর্বৃত্ত জাপানি নাগরিক হোসি কোমিওকে গুলি করে হত্যা করে। এর আগে ঢাকায় ইটালির এক নাগরিককে একই কায়দায় গুলি করে হত্যা করা হয়।