হঠাৎ করে চট্টগ্রামে নিজেদের মধ্যে বারবার সংর্ঘষে জড়াচ্ছে ছাত্রলীগ— এসব সংঘাতের অধিকাংশই আধিপত্য বিস্তারকে কন্দ্রে করে।
বন্দর নগরী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যন্ত গত কয়কেদিনে একাধিক সংর্ঘষের ঘটনা ঘটেছে ছাত্রলীগে। এতে চট্টগ্রাম প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। আর নিজেদের ভাবর্মূতি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় এরইমধ্যে কয়েকজনকে বহিষ্কারও করা হয়েছে।
এদিকে, গত কয়েকদিনে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় এরইমধ্যে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ প্রায় ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত রোববার নগরীর সিআরবি এলাকায় আধপিত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ধারালো অস্ত্রসহ সংর্ঘষে জড়ায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতার্কমীরা।
ঠিক একদনি পরে সোমবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের মধ্যে আবারও সংর্ঘষে জড়ায় দুইপক্ষ। অন্যদিকে রাউজানে অবস্থতি চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-চুয়েটেও চলতি সপ্তাহে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একাধিক সংর্ঘষ বাধে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে। ফলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায় চুয়টেও।
সোমবার ঘটনার পর পরই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে অভিযান চালায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এসময়, সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ ও ৩৫ জনকে আটক করা হয়। এদিকে, সিআরবিতে গত রোববারের ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় বুধবার আরো ১২ জনকে আটক করে পুলিশ বলে জানান চট্টগ্রামের কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি মো. জসিম উদ্দিন।
দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সংর্ঘষে জড়িত থাকার অভিযোগে নগর ছাত্রলীগের তিন নেতাকে এরই মধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে, সংগঠনটির সাবেক ও বর্তমান নেতারা বলেন তারা এ সমস্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।
দৃঢ়তার সঙ্গে সংঘর্ষের বিষয়গুলো এড়িয়ে যান চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজমি রনি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগএর সাবেক সহ-সম্পাদক হাবিবুর রহমান তারেক।