সরকার জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এর পরিণতি রাজনীতির ধারায় হবে না—আর অরাজনৈতিক ধারায় কোনো পরিবর্তন দেশের মঙ্গল বয়ে আনবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে বিএনপি।
গণতন্ত্র ও জবাবদিহিতা না থাকায় জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে— এ কথা উল্লেখ করে দলটির নেতারা দাবি করেন, উগ্রপন্থা থেকে রেহাই পেতে উদ্যোগী হতে হবে সব রাজনৈতিক দলকে।
রাজধানীতে ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানে দলের নেতারা আরো বলেন, বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের জেলে আটকে রেখে নির্বাচন দিলে তা হবে প্রহসনমূলক।
সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের পর দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে দাবি করে বরাবরই এ জন্য সরকারকে দায়ী করে আসছে বিএনপি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে আবারো বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গণতন্ত্রহীনতার জন্যই চরমপন্থা আজ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
নিহত প্রকাশক ফয়সল আরেফীন দীপনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে এ মন্তব্য করেন বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন।
এর আগে, জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় বিএনপিপন্থী সংগঠন শত নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের পরামর্শক অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান লেখক-ব্লগার-প্রকাশক হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, সরকারের প্রতি আস্থা না থাকায় নিহতদের স্বজনরা ন্যায়বিচারের বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন।
সংকট সমাধানে সব দলকে একজোট হয়ে উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান বিএনপির এ নেতা।