আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে তোড়জোর শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে।
প্রার্থী বাছাইয়ের হোমওয়ার্ক এরইমধ্যে সেরে ফেলেছে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ ছোট-বড় দলগুলো। তবে, দলীয় ফোরামের বৈঠকের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলগুলো বলে জানা গেছে।
একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও দলীয় সিদ্ধান্তে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে আওয়ামী লীগ।
আর বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অধিকাংশ প্রার্থীই মামলার কারণে মাঠে না থাকলেও নির্বাচনে সমানতালেই লড়তে প্রস্তুত রয়েছে বলে মন্তব্য দলটির নেতাদের।
শুরু হয়ে গেছে পৌরসভা নির্বাচনের ডামাডোল। এবার একযোগে ২৩৪টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল-মঙ্গলবার পৌর নির্বাচনের তফসিলও ঘোষণা করেছে কমিশন।
শুরুও হয়ে গেছে মনোনয়ন ফরম বিক্রি। প্রার্থীরা চাইলে আজ-বুধবার থেকেই তা করতে পারবেন।
তবে, দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পৌর নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো একজনের বেশি প্রার্থী দিতে পারবে না।
যদিও আগে থেকেই এ নির্বাচনে নিজেদের মনোনিত প্রার্থী নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতিও সেড়ে নিয়েছে ছোট-বড় রাজনৈতিক দলগুলো।
তবে, তফসিল ঘোষণার পর তা আরো জোরদার হচ্ছে। বেড়ে গেছে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌঁড়ঝাপ। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ রাতে গুলশানে সিনিয়র নেতাদের বৈঠকে ডেকেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আর আওয়ামী লীগের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে খুব একটা সমস্যা হবে না তাদের।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহর বলেন, ‘অবশ্যই আমরা প্রস্তুত আছি। আমাদের একটা পার্লামেন্টরি বোর্ড আছে, আমরা যখন জাতীয় নির্বাচন করি সেথান থেকে মনোনয়নের জন্য ফরম বিক্রি করি। একই প্রক্রিয়ায় পৌরসভার জন্য আমরা মনোনয়ন ফরম বিক্রি করবো।’
আর মাঠে না থাকলেও একক প্রার্থী নিয়েই নির্বাচনে লড়াইয়ের কথা বলছেন বিএনপি নেতারা। তবে, এ নির্বাচনে কারচুপি হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আসম হান্নান শাহ বলেন, ‘এটা আমরা গন্ধ পাচ্ছি, অতীতের ন্যায় তারা দলীয়করণ করবে। আমাদের আশঙ্কা আগামী এই পৌর নির্বাচন হবে সেগুলো সুষ্ঠু হবে কিনা, শান্তিপূর্ণভাবে হবে কিনা।
আমাদের এ অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার দায়িত্ব সরকারের।’
অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও নির্বাচনের প্রস্ততি নিতে শুরু করে দিয়েছে।