শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের অধীনে দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীকেই জামাতসহ জোটের অন্যান্য শরীক দলকে নিয়ে পৌর নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি। এরইমধ্যে নিজেদের মনোনীত প্রার্থীদের প্রত্যয়নপত্র বিতরণের কাজটি সেরে ফেলেছে দলটি।
এরপর যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু হবে। পরে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা যাবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর।
৩০ ডিসেম্বর হতে যাওয়া পৌর নির্বাচনে নিজেদের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের অযোগ্য হওয়ায় জামাত স্বতন্ত্রপ্রার্থী দেবে আর বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে যেতেও নারাজ তারা। শেষ পর্যন্ত অন্য কোনো প্রতীকে বিএনপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কৌশল নিয়েছে জামাত।
আর বিএনপি ওইসব ক্ষেত্রে তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিয়ে জামাতকে সমর্থন দেবে।
এরইমধ্যে মনোনীত কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে পথসভা ও ঘরোয়া সভা করতে চাইলে প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে প্রশাসনকে জানাতে হবে আচরণবিধিতে এমন শর্ত রেখে বুধবার রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পরিপত্র পাঠিয়েছে কমিশন।
এদিকে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশেরই প্রত্যয়নপত্র দেয়া হয় মঙ্গলবার। ওইদিন দুপুরের পর থেকে ভোররাত পর্যন্ত চলে প্রত্যয়নপত্র বিতরণের কাজ। বাকিদের প্রত্যয়নপত্র দেয়া হয় বুধবার দুপুরের পর।
যদিও সকাল থেকেই দলীয় মনোনয়ন প্রত্যয়ন প্রত্যাশীরা ভীড় করেন গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে।
প্রত্যয়নপত্র বিতরণের সময় বিএনপির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন বলেন, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
ধর-পাকড়ের মধ্যেও নির্বাচনী লড়াইয়ে ভালোভাবেই থাকবে— উল্লেখ করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা বলেন, কেন্দ্র, তৃণমূলের সিদ্ধান্ত এবং জনপ্রিয়তার ভিত্তিতেই প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে।
এদিকে, কোনো কোনো পৌরসভায় বিএনপি নিজেদের প্রার্থী রাখছে আর কোথায় জোটের শরীকদের ছাড় দিচ্ছে সে বিষয়টি জানতে অপেক্ষা করতে হবে ৫ তারিখ পর্যন্ত।