দলীয় প্রতীক ও মনোনয়নে পৌর নির্বাচনের মতো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও অংশ নিচ্ছে বিএনপি। দলটির নেতারা বলছেন, এ নির্বাচন তাদের জন্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। আর এ সরকার ও কমিশনের অধীনে যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় জনগণ ও বহির্বিশ্বের কাছে তা প্রমাণ করাই তাদের মূখ্য উদ্দেশ্য।
এবারও তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতেই প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে কেন্দ্র থেকে। তবে, বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন বিএনপি নেতারা।
পৌর নির্বাচনের পরপরই কমিশনের পরিকল্পনায় আছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে দলীয় প্রতীকে, আর প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নেবেন দলের টিকেটে। সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণগুলোতে মার্চের শেষ ভাগে নির্বাচন করতে চায় কমিশন।
পৌর নির্বাচনের মতো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ভোটের লাড়াইয়ে থাকছে বিএনপি। এ বিষয়ে দলটি তৃণমূল পর্যায়ে প্রয়োজনীয় হোমওয়ার্কও সেরে নিচ্ছে। তবে সুষ্ঠু ভোটের ব্যাপারে সরকার বা নির্বাচন কমিশনের ওপর এখনো আস্থা নেই বলে জানালেন দলের নেতারা।
প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এবারও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেন নেতারা।
একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে বিএনপির। এর পরও দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য পৌরসভা নির্বাচনের মতো এবারো তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা।