পদবঞ্চিত হওয়া এবং কাঙ্খিত পদ না পাওয়ার জেরে ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের একদিনের মাথায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে জিয়াউর রহমানের মূরাল, আগুন দেয়া হয়েছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে।
পদবঞ্চিতরা অভিযোগ করেছেন, টাকার বিনিময়ে পূর্নাঙ্গ কমিটি ঠিক করা হয়েছে। এ ঘটনাকে সরকারের ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করা হয় বিএনপির পক্ষ থেকে।
দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের এজেন্ট এবং ছাত্রদলে অনুপ্রবেশকারী দুর্বৃত্তরা এঘটনা ঘটিয়েছে।
৭৩৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার পরও ক্ষোভ ছিলো ছাত্রদলে। দুঃসময়ে দলের হয়ে কাজ করেছেন, জেল খেটেছেন, গুমের আতঙ্ক নিয়েও রাজপথে থেকেছেন এমন কর্মীদের বাদ দিয়ে কিংবা তাদের অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বের পদে রেখে কমিটি করা হয়েছে-এ অভিযোগ উঠে কমিটি গঠনের পর থেকেই।
এর বহিঃপ্রকাশ ঘটলো সোমবার বিকালে পদবঞ্চিত এবং কাঙ্খিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা হামলা-ভাঙচুর চালায় নয়িপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে।
এ সময় ভেঙে ফেলা হয় জিয়াউর রহমানের মূরাল। ছিড়ে ফেলা হয় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরও চালানো হয়। দুটি মটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা।
পদবঞ্চিত এবং কাঙ্খিত পদ না পাওয়া নেতা-কর্মীরা দাবি করেহছেন, কমিটিতে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা, নি মূল্যায়ন করা হয়েছে টাকার।
তবে এ ঘটনাকে পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করা হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে।
পুলিশ বলছে কাঙ্খিত পদ না পাওয়া নেতা-কর্মীরা এই ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে।তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।