নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ প্রায় নেই— তাই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানোর ওপর জোর দিচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ও সমমনা দলগুলো।
বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দল ও জোট নেতারা বক্তব্যে এমন আভাস দিয়েছেন।
দলের অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এরাই আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করে।
স্বাগত বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নানা কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। আন্দোলনের ওপর জোর দেয়ার পাশাপাশি দলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকারও তাগিদ দেন তিনি।
কাউন্সিলে অংশ নেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা ও প্রতিনিধিরা। গণতন্ত্র ও মানধিকারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বক্তব্য রাখেন তারা।
ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজিপির কেন্দ্রীয় নেতা বিজয় জলি।
এ কাউন্সিল দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন বিকল্প ধারার প্রেসিডেন্ট এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকা ছিল নেতা-কর্মীদের পদাচরণায় মুখর।
দলীয় নেতা-কর্মী, কাউন্সিলর, ডেলিগেট ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি সমর্থক পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীরা।
দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এলডিপি সভাপতি অলি আহমেদ।
কাউন্সিলের একপর্যায়ে, যুক্তরাজ্য প্রবাসী দলের পুনর্নির্বাচিত সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার ভিডিও বক্তব্য প্রচার করা হয়।
এ সময় তিনি বলেন,— এ কাউন্সিলে বিশ্বের কয়েকটি দেশের রাজনৈতিক নেতারাও শুভেচ্ছা বক্তব্য রেখেছেন।