অন্তর্কোন্দল আর বিভেদ ভুলে সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে এ কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন, সরকার প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকারের জুলুম-নির্যাতন আর দলের কিছু ভুলের কারণে তারা এখনো সফলতার মুখ দেখেননি।
তবে, জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব বলে সভায় বলেন তিনি।
এছাড়া, প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানে উদ্যোগী হতে সরকারের প্রতি আহ্বানও জানান বিএনপির মহাসচিব।
রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন এবং নাজুক অবস্থা থেকে উত্তরণে বিএনপিকে করতে হবে গণমুখী রাজনীতির চর্চা ঘরোয়া অনুষ্ঠানে আবদ্ধ না থেকে ছড়িয়ে পড়তে হবে তৃণমূলে। দলটির প্রতি এমনই তাগিদ দিয়েছেন বিএনপিপন্থী পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।
মাত্র ক'দিন আগেই অনুষ্ঠিত হলো বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ওই কাউন্সিলের মাধ্যমেই দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠনের কথা থাকলেও, তাতে অনুমোদন পায় শুধুমাত্র দলের চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে নেতৃত্ব নির্বাচন। কাউন্সিল শেষ হওয়ার পর পেরিয়েছে ৩ সপ্তাহের কিছু বেশি সময়। কাউন্সিলে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে বিএনপি চেয়ারপারসন এরইমধ্যে দলের মহাসচিব পদসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নেতাদের মনোনীত করেছেন।
নেতা নির্বাচনের এ পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক বলে মনে করেন বিএনপিপন্থী পেশাজীবীদের অনেকেই।
বিএনপিপন্থী পেশাজীবীদের নেতা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, দলের মহাসচিব পদে কে আসবেন তা নির্ধারিত হওয়া উচিৎ কাউন্সিলরদের ভোটেই।
এছাড়া, দলকে চাঙ্গা করতে বিএনপি নেতাদের তৃণমূলে ছড়িয়ে পড়ার পরামর্শও দিয়েছেন বিএনপির পরামর্শক ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ।
এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকারের জুলুম-নির্যাতন আর দলের কিছু ভুলের কারণে তারা এখনো সফলতার মুখ দেখেননি।