বিএনপির সহযোগী সংগঠন শ্রমিক দলের কমিটি নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে মারা গেলেন শ্রমিকদল নেতা বাবুল সরদার। আর দলটি জড়িয়ে পড়ল অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে।
রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হন শ্রমিকদল নেতা বাবুল।
বিএনপির অনেক নেতা এমন কথা জানালেও এ ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করছেন নেতাদের কেউ কেউ। তবে ওই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কিংবা ভেতরে হামলার ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি-মারামারিতে জড়িয়েছেন নেতাকর্মীরা।
তবে, কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় কোনো নেতার নিহত হওয়ার নজির নেই। রোববার বিকেলে এক দোয়া মাহফিল শেষে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উল্টোদিকে একদল যুবকের হামলায় নিহত হন শ্রমিক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ধানমন্ডি শাখার সভাপতি বাবুল সরদার। আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন মহানগর শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক আবু কাইসার ভূঁইয়া।
কমিটি গঠন নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছেন মহানগর বিএনপির নেতা শেখ রবিউল আলম রবি।
আর, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বে এ ঘটনা ঘটেছে বলে তার জানা নেই তবে বিষয়টি ঘোলাটে।
দলের জ্যেষ্ঠ নেতা নজরুল ইসলাম খান এ ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড আখ্যায়িত করে এর বিচার দাবি করেছেন।
জানা গেছে, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক দলের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে পদবঞ্চিতদের সঙ্গে মতবিরোধ চলছিল বাবুল সরদারের।