বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের মরদেহ কলকাতা থেকে ঢাকায় আনার পর রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ও জাতীয় সংসদ ভবনে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর আগে শনিবার রাতেই তার বাসভবন বনশ্রীতে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নাটোরে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে জানা গেছে।
শনিবার সকালে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান বলেন, জেটএয়ারওয়েজের বিমানে তার মরদেহ আসে।
পটলের তার স্ত্রী কামরুন্নাহারের বলেন, প্রথম জানাজা শনিবার বাদ এশা রামপুরার বনশ্রী জামে মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় জানাজা নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এবং তৃতীয় জানাজা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর তার মরদেহ সড়ক পথে নাটোরে নিয়ে শহরে ও তার নিজ গ্রাম গৌরীপুরে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় কলকাতার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিডনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফজলুর রহমান পটল। তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।
বিএনপির গত ও নতুন কমিটিতে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টামণ্ডলীতে স্থান পাওয়া সাবেক চারদলীয় জোট সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটল বেশ কিছু দিন ধরে কিডনিসহ নানা সমস্যায় ভুগছিলেন।
ছাত্রলীগ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি হয়েছিলেন পটল। পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে নাটোর-১ আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
পটলের বাড়ি লালপুর উপজেলার গৌরীপুর গ্রামে। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।