তুচ্ছ তাচ্ছিল্য না করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের ধানমণ্ডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি—উনি সবার সঙ্গে আলাপ করেই সেটা দেন, তিনি যে ইলেকশন কমিশন গঠন করবেন সেটাই হবে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।
আর ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ পরিচালিত হলে উন্নত দেশ হবে বাংলাদেশ বলে জানান তিনি।
আমরা যদি সবকিছু নিয়েই বিতর্ক করি, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে তাহলে আমরা যাব কোথায়? আমাদের মাথা ঠেকানোর জায়গা কোথায়?
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অহেতুক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে যদি বিতর্ক করি তাহলে সভ্যতা থাকবে না, আইন থাকবে না—এ দেশে তাহলে গণতন্ত্র থাকবে?”
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, দেশের মানুষের সর্বোচ্চ অর্জন হল এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কের উর্ধ্বে রাখা— এ কারণেই পৃথিবীতে সভ্যতা টিকে আছে।
দেশে যদি আইন-কানুন না থাকে, তাহলে সভ্যতাই থাকবে না, এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো সভ্যতার একেকটি স্তম্ভ আর এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার কিছু নাই সুতরাং এ সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কের উর্ধ্বে রাখব এবং সম্মান দেখাব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এজেন্ট অব চেঞ্জ ও প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে দলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, শেখ হাসিনার কারণেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হচ্ছে বাংলাদেশ।
সভায় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানান, বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তার দু'পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হবে।
কানাডা ও জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নানামুখী অর্জনের জন্য দেশে ফেরার দিন, ২৬ সেপ্টেম্বর বিকালে তাকে সংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ। এ কর্মসূচি সফল করতে সকালে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর সংসদ সদস্যদের নিয়ে যৌথ সভা করেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।