দল গোছানো— সংগঠনকে শক্তিশালী করা এবং নির্বাচনের ইস্যু নিয়ে সরকারের সঙ্গে সংলাপের চেষ্টা— এ সবকটি বিষয় নিয়েই দলকে সামনে এগিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা বিএনপির।
দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে শিগগিরই কর্মসূচি নির্ধারন এবং বিভিন্ন জেলায় সাংগঠনিক সফরে যাওয়ার কথাও ভাবছেন বিএনপির চেয়ারপারসন।
দলের নেতারা বলছেন, যেকোনো মুহুর্তে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো সাংগঠনিক প্রস্তুতি তাদের রয়েছে; তবে তা হতে হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনে। এর অন্যথা হলে তা প্রতিহতের কথা বলেছেন তারা।
কয়েক মাস পরই শেষ হচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ। ফলে স্বভাবতই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গণে এখন আলোচনার অন্যতম ইস্যু সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রসঙ্গ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মধ্যবর্তী নির্বাচনের বিষয়টিও।
যদিও প্রধানমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা নেই বলে সাফ জানিয়েছেন। আর অন্যদিকে, বিএনপির পক্ষ থেকে বারবারই দাবি করা হচ্ছে দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের।
হজ পালন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি দেশে ফেরার পর এখন প্রশ্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিএনপি এবার কোন দিকে যাবে? আন্দোলন কর্মসূচির পথেই হাঁটবে নাকি জাতীয় নির্বাচন ও কমিশন গঠনের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মনোযোগ দেবে?
দলের সাংগঠনিক কাজ এগিয়ে নেয়া এবং নির্বাচন সামগ্রিক বিষয় নিয়েই বিএনপি যুগপৎভাবে এগুতে চায় বলে জানাচ্ছেন দলের নেতারা।
জেলা কমিটিগুলো পুনর্গঠনের দায়িত্বে থাকা দলের নেতা মো. শাহজাহান জানিয়েছেন শিগগিরই দলের চেয়ারপার্সন সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবেন; যেতে পারেন বিভিন্ন জেলায় সাংগঠনিক সফরেও।
তবে রাজনীতির মাঠে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আলোচনাকে সরকারের একটি কৌশল বলে মনে করেন বিএনপির এ নেতা। যখনই নির্বাচন হোক না কেন তাতে অংশ নিতে বিএনপির প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কোনো রকম ঘাটতি নেই বলেও দাবি তার।