বাংলাদেশের ওপর ভারতের অতিমাত্রায় নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবের কারণেই চীন বাংলাদেশে বিনিয়োগে খুব একটা আগ্রহী হচ্ছে না বলে অভিমত বিএনপিপন্থি পেশাজীবী ও রাজনীতিবিদদের।
তবে, চীনা প্রেসিডেন্টের সফরে সরকার ভারত নির্ভরতা কমিয়ে চীনের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে মনোযোগী হবে বলে আশাবাদ তাদের।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক আলোচনায় বিএনপি নেতারা বলেন, জঙ্গিবাদ মোকাবেলা এবং দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে চীন তার অবস্থান থেকে কাজ করবে।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ৪ দশকের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা সভা করা হয়।
আয়োজনে বিএনপি জোটের শরীক দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ— ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভায় বক্তারা তুলে ধরেন চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রয়োজনিয়তার কথা।
বক্তব্য রাখেন বিএনপিপন্থি পেশাজীবী নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
অতীতের তুলনায় এখন চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না দাবি করে তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের ভারত নির্ভরতাই এর প্রধান কারণ।
চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরকারের আলোচনায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি দেশের জঙ্গিবাদ, গণতন্ত্র ও রাজনীতির প্রসঙ্গে প্রাধান্য পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
জোটের আরেক শরীদ দল কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীকও সরকারকে ভারত নির্ভরতা কমিয়ে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে চীনকে আরও বেশি সমৃক্ত করার আহ্বান জানান।
এছাড়া, নয়াপল্টনে এক অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সংশয় প্রকাশ করেন, চীনের সঙ্গে সরকার দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি করছে কিনা?
সরকার উন্নয়নের কথা বলে গণতন্ত্রহীনতাকে আড়ালের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেন দলের অন্য নেতারা।