আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগে থেকেই গুঞ্জন চলছিল কে হচ্ছেন সাধারণ সম্পাদক, অবশেষে রোববার বিকেলে নাম ঘোষণা করা হলো ওবায়দুল কাদেরের।
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা এ দলটির কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি পদে শেখ হাসিনা সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হন।
সাধারণ সম্পাদক পদেও নির্বাচন হয়। দুটি পদে আর কোনো নাম প্রস্তাব না আসায় কাউন্সিলের জন্যা গঠিত আওয়ামী লীগের নির্বাচন কমিশনের প্রধান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন দুজনকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করার পরপরই নির্বাচনী অধিবেশন শুরু হয়।
এর আগে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে শেখ হাসিনা আহ্বান জানান। তবে কাউন্সিলরা ওইসময় তাকে বঙ্গবন্ধুকন্যাে শেখ হাসিনাকে সপদে বহাল চান।
নির্বাচনী অধিবেশনের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুকন্যানর নামই সভাপতি পদের জন্যজ প্রস্তাব করেন প্রবীণ নেত্রী বিদায়ী সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। তা সমর্থন করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।
বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন এবং তা সমর্থন করেন বিদায়ী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।
বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের স্থান হয়েছে সভাপতিমণ্ডলী গুরুত্বপূর্ণ এ পরিষদে।
পরে ভাপতিমণ্ডলীর পদ গঠন করা হয়।
সভাপতিমণ্ডলীতে নতুন এসেছেন নুরুল ইসলাম নাহিদ, ড. আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান, আবদুল মান্নান খান, রমেশ চন্দ্র সেন ও পীযূষ ভট্টাচার্য (যশোর)।
পুরনোদের মধ্যেম সভাপতিমণ্ডলীতে থাকছেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফর উল্যাধহ, সাহারা খাতুন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।
পুরনো যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক নতুন যোগ হয়েছেন আব্দুর রহমান। কোষাধ্যরক্ষ পদে এন এইচ আশিকুর রহমানই থাকছেন নতুন কমিটিতে।