আগামী ৭ নভেম্বর বিএনপির তথাকথিত ‘বিপ্লব দিবস’ জনগণ সমর্থন করে না—এ মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ প্রতিহত করবে না—পরিস্থিতি তৈরি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে জানিয়েছেন দলের সভাপতির মণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থমন্ত্রী মো. নাসিম।
এদিকে, জেলহত্যা দিবসে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন শহীদদের পরিবারসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুরান কেন্দ্রীয় কারাগার প্রথমবারের মতো সর্ব-সাধারণের জন্য খুলে দেয়া হলে সর্বস্তরের মানুষ এতে শ্রদ্ধা জানান।
এসময়, জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচারে যারা বাধা দিয়েছিল আগামী জাতীয় নির্বাচনে জনগণ তার জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
চার দশক আগে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার দিনটি নানা কর্মসূইচির মধ্যে স্মরণ করছে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরান কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় নেতাদের শ্রদ্ধা জানান দলের নবনিযুক্ত সাধারণ ওবায়দুল কাদের।
উল্লেখ, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পালাবদলের একপর্যায়ে সেনানিবাসে বন্দি হন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ৭ নভেম্বর মুক্ত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পর বিএনপি গঠন করেন।
এর চার দিন আগে ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর চার ঘনিষ্ঠ সহচর সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে কারাগারে হত্যা করা হয়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে ঘটনাবহুল এ দিনটিকে ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে বিএনপি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ পালন করে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে আর তাদের রাজনৈতিক মিত্র দল জাসদ দিনটি পালন করে ‘সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে।