৭ নভেম্বর উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি না দেয়ায় আগামীকাল ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।
রোববার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
আজ- রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপি ডিএমপির কাছে সমাবেশের অনুমতি চায় না পেয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।
সমাবেশের অনুমতি দেয়া নিয়ে সরকার নোংরা রসিকতা করেছে বলে তীব্র সমালোচনা করে মির্জা ফকরুল বলেন, সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা করছে সরকার।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে প্রথমে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায় বিএনপি। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে সমাবেশের অনুমতি নাকচ করে দেয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ- ডিএমপি। এরপরে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ৮ নভেম্বর সমাবেশের অনুমতি চেয়ে পুনরায় আবেদন করে দলটি। এতেও বাধা আসে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে।
অতপর ৮ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে তৃতীয়বারের মত ১৩ নভেম্বর আবারো রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার ঘোষণা দেয় বিএনপি। ঘোষণার কিছুক্ষণ পরেই ২৭টি শর্তে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ডিএমপি আলোচনা সভার অনুমতি দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করে ১৩ তারিখেই সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আসছিল দলটি।
শেষ পর্যন্ত ১৩ তারিখেও অনুমতি না পেয়ে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এর প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব।
নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দলকে সমাবেশের অনুমতি না দিয়ে সরকার সাংবিধানিক অধিকার হরণ করেছে বলে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
সকল পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনেরও দাবি জানান মির্জা ফখরুল।
এ সময় মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানির ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুইদিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে বিএনপি।