প্রশাসক পদে যারা সফল ছিলেন— জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন পাওয়ার ক্ষেত্রে তারাই অগ্রাধিকার পাবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি আর স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞদের মত, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোট না থাকা আর একক দলের আধিপত্যের কারণে এ নির্বাচনের রাজনৈতিক গুরুত্ব কমে গেছে।
আগামী ২৮ ডিসেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে জেলা পরিষদ নির্বাচন। ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ভোট দিয়ে প্রতিটি পরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করবেন। এ নির্বাচনে জনগণের সরাসরি ভোট দেয়ার সুযোগ নেই।
এরইমধ্যে বিএনপি-জাতীয় পার্টি এই নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে জোরেশোরে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ। ৬১টি জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে সাতশো'রও বেশি প্রার্থী দলীয় সমর্থনের জন্য আবেদন করেছেন।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এ নির্বাচন জরুরি বলে মনে করছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্য সব স্তরে আওয়ামী লীগের আধিপত্য থাকায় সাধারণভাবে সর্বোচ্চ স্তর জেলা পরিষদেও এ দলের প্রাধান্য থাকাটাই স্বাভাবিক, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইনের অধীনেই এবারের নির্বাচনটি হতে যাচ্ছে। পরবর্তীতে আইন সংশোধন না করায় এবার এর ফাঁদে পড়েছে বিএনপি আর আখেরে ভালো বিধায় ক্ষমতাসীনদের এটি নিয়ে মাথাব্যাথা নেই।