বিএনপির সঙ্গে রোববার আলোচনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠন বিষয়ে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেয়ার প্রক্রিয়া। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।
বিএনপির প্রত্যাশা, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রস্তাবিত ১৩ দফার ভিত্তিতেই নিরপেক্ষ-শক্তিশালী কমিশন গঠন সম্ভব হবে। যারা সরকারের প্রভাবমুক্ত থেকে অবাধ-সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম হবে।
আসছে ফেব্রুয়ারিতেই শেষ হচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ। এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেছে নতুন কমিশন গঠনের তোড়জোর। সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।
এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দলগুলোর মতামত নিতে তাদেরকে চিঠি দিয়ে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন তিনি। সংসদের বাইরে থাকা বিএনপির সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রপতি তার এ কার্যক্রম শুরু করছেন।
বিকেলে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে যাবে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে নিজেদের মতামত তুলে ধরতে।
গত মাসে সংবাদ সম্মেলন করে খালেদা জিয়া নতুন কমিশন গঠনের বিষয়ে ১৩ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছিলেন।
এ ১৩ দফার ভিত্তিতে কমিশন গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে মতামত দেবে বিএনপি-এমনটাই জানানো হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে। বিএনপির প্রতিনিধি দলে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির ১১ সদস্যসহ মোট ১৩ জন থাকছেন।
দলটির প্রত্যাশা, সব দলের মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি সরকারের প্রভাবমুক্ত একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। আর তাতে বিএনপির প্রস্তাবনা প্রাধান্য পাবে বলেও মনে করে দলটি।
বিএনপির পর আগামী ২০ ডিসেম্বর সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, ২১ ডিসেম্বর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ এবং ২২ তারিখ জাসদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন রাষ্ট্রপতি।