শ্রমিকদের পরিবহন ধর্মঘটে সারাদেশে জনভোগান্তির জন্য সরকারের প্রভাবশালী এক মন্ত্রীকে দায়ী— বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিডিআর বিদ্রোহে পিলখানায় নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, পরিবহন ধর্মঘটের পেছনে মদদ জোগাচ্ছে সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী। ধর্মঘটের কারণে সারাদেশে একটি অরাজক পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে আর সরকার এ সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ।
পিলখানা ট্রাজেডির ঘটনা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিদেশি শক্তি ও সরকারের ষড়যন্ত্রে পরিকল্পিতভাবে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। সরকার পরিবর্তন হলে ওই ঘটনার পুনঃতদন্ত করে সঠিক বিচার করা হবে।
গ্যাসের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এটা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অযৌক্তিক।
এ সময় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, একজন বাস চালককে সাজা দিয়েছে আদালত। জনগণকে ব্লাকমেইল করে এখন সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে। এর পেছনের মূল নায়ক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।
তিনি আরো বলেন, পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের রহস্য চাপা থাকবে না। যখন নির্বাচিত সরকার আসবে সেই সরকার অবশ্যই বিডিআর হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারবে। তখন প্রমাণিত হবে এর সঙ্গে কে বা কারা জড়িত ছিল।
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে নির্বাচনের বাইরে রাখার ষড়যন্ত্র সফল হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন বিএনপি নেতারা। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচনে যাবে না বিএনপি বলেও জানান তারা।
সাবেক সেনাপ্রধান ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান রহুল আলম চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ বক্তব্য দেন।