আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে অগোছালো তৃণমূল গোছাচ্ছে আওয়ামী লীগ। বিএনপি নির্বাচনে আসছে, ধরে নিয়েই চলছে দলটির নির্বাচনী প্রস্তুতি। জেলায় জেলায় হচ্ছে কর্মীসভা, প্রতিনিধি সম্মেলন ও বর্ধিত সভা। যেসব এলাকায় দ্বন্দ্ব-কোন্দল বেশি প্রকট সেখানকার নেতাদের ঢাকায় এনে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
নেতারা বলছেন, আগামী নির্বাচনে দলকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের একাট্টা হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। সেজন্যই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানান, একটি সুশৃঙ্খলা দল হিসেবে নির্বাচনের মাঠে নামতে চায় আওয়ামী লীগ।
কোথাও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে দলীয় সংসদ সদস্য বা মন্ত্রীদের দূরত্ব, কোথাওবা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের আলাদা গ্রুপিং, এছাড়া গত আট বছরে বিএনপি জামাত থেকে অনুপ্রবেশকারীদের ভীড়ে আওয়ামী লীগের দুর্দিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা কোনঠাসা। তৃণমূলে দলের এ অবস্থা কপালে ভাঁজ ফেলে কেন্দ্রীয় নেতাদের। নড়েচড়ে বসে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড।
যেসব এলাকায় দ্বন্দ্ব খুব প্রকট সেখানকার নেতাদের ঢাকায় ডেকে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে বিভিন্ন জায়গায় সফরে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। কর্মীসভা, প্রতিনিধি সম্মেলন ও বর্ধিতসভার মাধ্যমে চেষ্টা করছেন কোন্দল নিরসনের।
আওয়ামী লীগ নেতাদের বিশ্বাস, নির্বাচনে আসবে বিএনপি। সেক্ষেত্রে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হবে দলকে। তাই আগেভাগেই নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করেছে তারা। জোর দিচ্ছেন দলীয় শৃঙ্খলার উপর।
আগামী ২০মে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় কমিটি ও জেলা এবং মহানগর নেতাদের নিয়ে গণভবনে বসছে আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির প্রথম বর্ধিত সভা। এ সভা থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে সার্বিক দিক নির্দেশনা দেবেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সেদিনই প্রকাশ করা হবে দলের চূড়ান্ত ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্র।