সরকারের টানা সাড়ে আট বছরের অর্জন আর বিএনপি-জামাতের সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে ঈদের পর খুব জোরোশোরেই আওয়ামী লীগ শুরু করছে প্রচার কাজ। আগামী নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের কথা মাথায় রেখে অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেটি নিয়েও ভাবা হচ্ছে।
নেতারা বলছেন, প্রচারের মূল লক্ষ্যই থাকবে সরকারের উন্নয়ন কাজের তুলনামূলক চিত্র একেবারে তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে দেয়া।
টানা আট বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের অর্জনের সফলতা রয়েছে নানা ক্ষেত্রে। আন্তর্জাতিকভাবেও এগুলো ব্যাপক স্বীকৃতি ও প্রশংসা পেয়েছে।
নেতারা বলছেন, এসময়ে সরকারের অর্জন স্বাধীনের পর সকল সরকারের মিলিত অর্জনকেও ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু সে অর্জনের প্রচার খুব একটা নেই। বিষয়টি মানছেন দলের নেতারাও। কিছু কিছু নেতিবাচক কর্মকাণ্ড, এসব অর্জনকে আড়াল করে দিচ্ছে।
গত ২০মে দলের বিশেষ বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের তুলনামূলক চিত্র বুকলেট আকারে জেলার নেতাদের দেয়া হয়।
বাজেট পাসের পর হালনাগাদ করে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে প্রদর্শন করা হবে বিএনপি-জামাত জোটের সন্ত্রাস-নাশকতার ভিডিওচিত্র।
আগামী নির্বাচনে প্রচারের ক্ষেত্রে ইন্টারেনটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটা গৃরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে বলে মনে করছেন দলের নেতারা। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের তত্ত্বাবধানে তরুণ সংসদ সদস্যদের এ জাতীয় একটি কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও দলের নির্বাচন পরিচালনা সেল, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে ১০০ জনের একটি তালিকা করছেন। এদেরকে নির্বাচনের সার্বিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।