বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতারা হেলিকপ্টারে করে নির্বাচন করে বেড়াচ্ছেন আর আমরা দাঁড়িয়ে থাকছি আদালতের কাঠগড়ায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এটা কি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ এ প্রশ্ন করে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে বর্তমানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করার চ্যালেঞ্জ নিতে অক্ষম তারা। তাই তারা ৫ই জানুয়ারির মতই এবারও দেশে একটা অর্থবহ নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হবে।
শুক্রবার ঠাকুরগাঁওয়ের তাঁতিপাড়াস্থ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে এসব কথা বলেন।
নির্বাচনের আগে একটা সহায়ক সরকার প্রয়োজন আছে। বর্তমান সরকারের নিরপেক্ষ নির্বাচন করার সাহস নেই। নির্বাচন করতে গেলেই তারা সেভাবে সুবিধা করতে পারবে না। ক্ষমতা তাদের হাতে থাকবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আর সে কারণে সংবিধানের নানা কথা বলে তারা বাধা দিচ্ছেন, সংবিধান তো কোনো বাইবেল না, সংবিধান মানুষের তৈরি।
তিনি আরো বলেন, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে গেলে প্রয়োজনে সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। অতীতের মত আমরা রাজনৈতিক দলগুলো যদি একত্রে আসতে পারি তাহলে সেটি পরিবর্তন করতে সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালের মত নির্বাচন করতে পারবে না। তাদের এবার নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
সরকারে থাকলে শুধু ক্ষমতাকে খর্ব করা হয়, নিবার্চন কমিশনে চাপ সৃষ্টি করা হয় তাহলে সেই নির্বাচন তো গ্রহণ যোগ্য হবে না—এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের যে বৈর্ধতা এখনো নেই, তাই তারা আবার ২০১৪ সালের মত আর একটি নির্বাচন করতে পারবে না।
আমরা সব সময় বলেছি আমরা নির্বাচন করতে চাই— অতীতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেয়া হয়েছে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাই নির্বাচন করতে গেলে একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা যুবলীগের নেতার ছুরিকাঘাতে খুন হওয়ায় তীব্র নিন্দা জানান।
এ সময় তিনি অভিযুক্তদের বিনা জিজ্ঞাসাবাদে কারাগারে পাঠানো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তিনি বলেন , দেশব্যাপী যেভাবে হচ্ছে এখানেও তেমনি ক্ষমতাসীনদের নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে খুন হচ্ছে।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি তৈমুর রহমান , জেলা নেতা পয়গাম আলীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।