১১ দফা প্রস্তাবনা নিয়ে আগামীকাল-বুধবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বসতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
এসব প্রস্তাবনায় থাকছে ইভিএম পদবধতিতে ভোটগ্রহণ, সীমান পুনঃনির্ধারণ না করা, সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা না দেয়া, আর সংবিধান সম্মতভাবে নির্বাচনের মতো বিষয়গুলো।
নেতারা বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস থাকবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে।
এদিকে, বিএনপির সঙ্গে সংলাপে জিয়াউর রহমানকে 'বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা' বলায় সিইসি’র কাছে এর ব্যাখ্যাও জানতে চাওয়া হবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে।
একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী বুধবার সকালে ইসি'র সঙ্গে সংলাপে বসতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ২১ জনের একটি দল সংলাপে অংশ নেবেন। শনিবার দলের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কমিটির যৌথসভায় এ সংলাপের বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হয়।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ, সীমানা পুনঃনির্ধারণ না করাসহ মোট ১১ দফা প্রস্তাবনা নিয়ে তারা সংলাপে বসবেন।
এদিকে, গত রোববার বিএনপির সঙ্গে সংলাপে, সিইসি কে এম নুরুল হুদা, জিয়াউর রহমানকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা বলায় ক্ষরণ হচ্ছে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে।
নেতারা কেউ এ ব্যাপারে কথা না বললেও তাদের মতে, সাংবিধানিক পদাধিকারী কারো এমন বক্তব্য দেশের মানুষ ভালোভাবে নেয় না।
এদিকে, সোমবার এক অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, সংলাপে সিইসি'র কাছে এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে।