মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে শনিবার কক্সবাজারের উখিয়ায় উদ্দেশে যাত্রা করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ফেনী পৌঁছেছেন।
বিকেল পৌনে ৪টা নাগাদ কুমিল্লার বিশ্বরোড পার হয়ে দয়াপুর পৌঁছলে সেখানে কয়েক হাজার মানুষ তাকে অভিনন্দিত জানান।
নেতাকর্মীদের ভিড়ে চট্টগ্রামমুখী মহাসড়কের ছিল তাদের দখলে প্রায় ১ কিলোমিটারের বেশি স্থান জুড়ে কুমিল্লা ও আশেপাশের এলাকার নেতাকর্মীরা প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, ব্যানার নিয়ে স্লোগান দেয়। পথে পথে খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান দলীয় নেতা-কর্মীরা।
এর আগে আড়াইটার দিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি অতিক্রম করেন খালেদা জিয়া। কাঁচপুর ব্রিজ পার হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ এবং কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকার বিভিন্ন স্থানে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে শুভেচ্ছা জানান নেতা-কর্মীরা।
ফেনীতে বিএনপি চেয়ারপারসন যাত্রাবিরতি করবেন। দুপুরে খাবারের জন্য ৩০ পদের খাবার সাজিয়ে অপেক্ষা করেন দলীয় স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। তবে পথে দেরি হয়ে যাওয়ায় বিকেলে ফেনী পৌঁছান তিনি।
এর আগে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ফিরোজা বাসভবন থেকে তার গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে।
এ সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকত উল্লাহ বুলুসহ অন্য নেতারা।
উখিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরুর আগে খালেদা জিয়ার বাস ভবনের সামনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, 'দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার এই সফরে সার্বিক নিরাপত্তা দিতে আমাদের সহযোগিতা করবেন বলে আইজিপি (পুলিশ মহাপরিদর্শক) জানিয়েছেন। আশা করি সরকারও আমাদের সহযোগিতা করবে।
খালেদার গাড়ি বহর গুলশানের ভিআইপি গেট, বনানী, মহাখালী, গণভবন সিগন্যাল, ফার্মগেট ও নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় হয়ে উখিয়ার পথে রয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন তার এলাকা কুমিল্লায় খালেদা জিয়াকে অভর্থ্যনা জানাবেন পরে তিনিও সফর সঙ্গী হবেন।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যা ও নির্যাতনের মুখে গত ২৫ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসতে শুরু করে। ওই সময় খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে ছিলেন। দেশে ফেরার ১০ দিনের মাথায় আজ কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হলেন তিনি।