কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে ঢাকা ফেরার পথে ফেনীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের পেছনের দুটি গাড়িতে মঙ্গলবার আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে খালেদার গাড়িবহর মহিপাল ফিলিং স্টেশন পার হওয়ার সময় দুটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে
প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, চেয়ারপারসনের গাড়িবহরের ৩০-৩৫টি গাড়ি পার হয়ে যাওয়ার পর দুটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায় এবং সড়কের উল্টো দিকে চট্টগ্রামমুখী দুটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।
এর পরপরই সেখানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
খালেদা গাড়িবহর ফেনী পার হওয়ার সময় স্থানীয় ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকশ নেতাকর্মী মোটর সাইকেল নিয়ে বিএনপিনেত্রীকে এগিয়ে দেন।
এর আগে শনিবার উখিয়ায় যাওয়ার পথে ফেনীতে চেয়ারপারসনের গাড়িবহরে হামলা করে দুর্বৃত্তরা।
এছাড়া ফেনীতে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে টাঙানো ব্যানার ফেস্টুনে আগুন দেয় তারা। ফেনীর ফতেপুর রেলক্রসিং অতিক্রমের পর পরই বিএনপির চেয়ারপারসনের গাড়িবহরে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িসহ বেশ কয়েকটিতে হামলা করা হয়।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে এ সময় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন দুর্বৃত্ত লাঠিসোঁটা নিয়ে গাড়িবহরে হামলা চালায়। কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এর মধ্যে সাংবাদিকদের গাড়িও ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র হাজী আলাউদ্দিনের মালিকানাধীন স্টার লাইন পেট্রল পাম্পের কাছ থেকেই গাড়িবহরে হামলা করা শুরু হয়। তারা দুর্বৃত্তরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন।
খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িতেও হামলা চালানো হয়। আহত হন বেশকয়েকজন।
এ সময় প্রথম আলো, বিবিসি বাংলা, একাত্তর, বৈশাখী, চ্যানেল আই ডিবিসিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
এর আগে দুপুর একটায় কুমিল্লায় খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আসা বিএনপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলা করে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা বলে অভিযোগ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেবীপুরের বিসিক রাস্তা ও মহিপাল এলাকাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে টাঙানো ব্যানার ফেস্টুনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।