বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ক্যারিসম্যাটিক রাজনীতিই নতুন বছরে দলটি অবস্থান ও আন্দোলনকে আরো সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন দলের নেতারা।
তারা বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ আদায়ে জনগণই হবে অন্যতম হাতিয়ার।
বিএনপি চেয়ারপারসনকে নির্বাচনে অযোগ্য করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের চেষ্টা করা হলে তার সমোচিত জবাব দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা।
তারা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে বিএনপি এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
প্রায় এগারো বছর সংসদের বাইরে বিএনপি। বিভিন্ন মামলায় দলের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত অনেক নেতা-কর্মীকেই বছরের বেশি সময় কাটাতে হয়েছে আদালতের বারান্দায়।
অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলকে উজ্জীবিত করতে না পারা, নতুন সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি কাঙ্খিত লক্ষ্যে না পৌঁছানো, আন্দোলন কর্মসূচি আশানুরূপ বাস্তবায়ন না করতে পারাসহ সার্বিকভাবে একরকম অগোছালোভাবেই ২০১৭ পার করেছে বিএনপি।
দলটি আগামী দিনের রূপরেখা হিসেবে ভিশন-টোয়েন্টি থারটি' প্রকাশ করলেও নিরপেক্ষ সরকারের বিষয়ে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের ফর্মূলাটিও দিতে পারেনি গত বছর।
নানা সমস্যা-সংকটের পরেও ২০১৭ সালে দলের নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করেছে, চিকিৎসার জন্য টানা তিন মাস লন্ডনে অবস্থান শেষে বিএনপি চেয়ারপারসনের দেশে ফেরা, রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন ৭ নভেম্বর উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশ এসব ছিল আলোচনায়।
সবমিলিয়ে নতুন বছর ও আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উদ্দীপনা।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০১৮ হবে বিএনপির বছর।
সরকার যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রশ্নে সমঝোতায় না আসেন তবে কঠোর আন্দোলন ছাড়া বিকল্প কোনো পথ থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি রয়েছে নেতাদের।
বিএনপির তরুণ নেতৃত্বও সব ধরনের আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত বলে জানান নেতারা।
মানবাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনের কোন বিকল্প দেখছেন বলেই মনে করেন বিএনপি নেতারা।