নতুন বছরের শুরু থেকেই নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ—দলের বিভিন্ন দিবসভিত্তিক কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে সারাদেশের প্রতিটি সাংগঠনিক শাখাকে।
আনন্দ র্যা লি, সভা-সমাবেশ আর আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে এসব কর্মসূচি পালন করতে চিঠি পাঠানো হয়েছে তৃণমূলে।
দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হবে যার লক্ষ্য আগামী নির্বাচনের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত করা।
আগামী ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনের চতুর্থ বর্ষপূর্তি। ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আর ১২ জানুয়ারি বর্তমান সরকারের চার বছর পূর্তি। এ দিবসগুলো পালনের মধ্য দিয়ে বছরের শুরু থেকেই দলের সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে তৎপর আওয়ামী লীগ।
দাকের বলেন, বছর শেষে নির্বাচন তাই শুরু থেকেই এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখাই উদ্দেশ্য।
মিছিল, সভা, সমাবেশের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচিগুলো পালনের জন্য সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠানো হয়েছে তৃণমূলে। ৫ জানুয়ারি, গণতন্ত্র রক্ষা দিবস হিসেবে পালন করে বিএনপি-জামাত জোটের নাশকতার চিত্র জনগণের কাছে তুলে ধরাও লক্ষ্য আওয়ামী লীগের।
রাজধানীতে ৫ জানুয়ারিতে যৌথভাবে জনসভা করবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগ। কেন্দ্রীয়ভাবে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে হবে আলোচনা সভা আর ১২ জানুয়ারির পর দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের নেতৃত্বে সারাদেশে সাংগঠনিক সফরে বের হবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এদিকে, সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি গণভবনে বসছে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ।