তারেক রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষণা করায় দলের মধ্যে মতভেদ তৈরি হয়েছে— বিষয়টি ভাল চোখে দেখছেন না একটি অংশ।
নেতারা বলছেন, তড়িঘড়ি করে এই সিদ্ধান্তে খালেদা জিয়ার প্রতি অবজ্ঞার প্রকাশ ঘটেছে। একই সঙ্গে স্থায়ী কমিটি ছাড়া এই ঘোষণা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে উপেক্ষা করা হয়েছে।
তবে অন্য অংশটি বলছেন, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এটা করা হয়েছে এতে কোন দ্বিমত বা দ্বন্দ্ব তৈরি হবে না।
গত বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাচঁ বছরের কারাদন্ড দেয় ঢাকার ৫ম বিশেষ জজ আদালত। ওই দিনই তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দলের নেতারা বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের দায়িত্ব পালন করবেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আর পরের দিন এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন, তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
এদিকে, হাওয়া ভবন তৈরি করাসহ দুর্নীতির বিভিন্ন মামলার আসামী হিসেবে রাজনৈতিক ইমেজে খালেদা জিয়ার চেয়ে তারেক রহমান অনেক পিছিয়ে আছেন উল্লেখ করে এত দ্রুত তাকে ভারপ্রাপ্ত করায় বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতি অবজ্ঞার প্রকাশ ঘটেছে বলেও মনে করছেন অনেকে।
তবে বিএনপি নেতাদের একটি অংশ বলছেন- এটা দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী করা হয়েছে। গত কাউন্সিলে তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এতে দলে কোন ধরনের দ্বন্দ্ব তৈরি করবে না বলেও জানান তারা।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আরো ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হবে বলেও মনে করছেন নেতারা।