জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রায়ের কপি আজও বৃহস্পতিবার পাওয়া যানি।
বিএনপির চেয়ারপাসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, রায়ের সার্টিফায়েড কপি লেখা এখনো শেষনি বলে জাদালত জানিয়েছে। আগামী রবি অথবা সোমবার পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।
গতকাল বিকেল ৫টার দিকে বিএনপির চেয়ারপাসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, রায়ের সার্টিফায়েড কপি পাইনি তবে বৃহস্পতিবার পাব বলে আশা করছি। তারপরও মেলেনি কপি।
এর আগে সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের বিচারক ডা. মো. আখতারুজ্জামানের আদালতের কর্মকর্তা জানায় রায়ের কপি তৈরির কাজ শেষপর্যায়ে।
জানা গেছে, মূল রায় ৬৩২ পৃষ্ঠা হলেও রায়ের অনুলিপি হবে ছয় হাজার পৃষ্ঠার বেশি। ওই অনুলিপি হাতে আসার পরই জামিনের জন্য আপিল করতে পারবেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে গতকাল খালেদা জিয়ার প্যানেল আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, আদালতের রায়, এজাহার, সাক্ষী, জেরা, অভিযোগপত্র, ফরোয়ার্ডিংসহ সব কাগজ মিলে ছয় হাজার পৃষ্ঠার ওপরে অনুলিপি হবে। ওই অনুলিপি কোর্ট ফোলিওতে প্রিন্ট হয়ে গেছে। ৫/৬ জন অনুলিপিকারক এ নিয়ে কাজ করছেন— কোনো ভুলভ্রান্তি হচ্ছে কিনা তারা তা মিলিয়ে দেখছেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন বিশেষ আদালতের বিচারক ডা. মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
এর মধ্যে তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক।